1. jagannathpurdak@gmail.com : admin :
  2. lal.sjp45@gmail.com : Lal Sjp : Lal Sjp
  3. sharuarpress@gmail.com : Mdg sharuar : Mdg sharuar
মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে সামাজিক ও মানবতার সংগঠন “রানীগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থা” এর শুভ উদ্বোধন জগন্নাথপুরে জাপা নেতা মনোহর আলীর মৃত্যুতে উপজেলা জাতীয় পার্টির শোক জগন্নাথপুরে দলিল লেখক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে বশির আহমদের সেঞ্চুরি জগন্নাথপুর দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে নজমুল ইসলাম চৌধুরী বিপুল ভোটে বিজয়ী জগন্নাথপুরে জিপিএতে মাদ্রাসার চেয়ে স্কুল এগিয়ে, জিপিএ-৫ ২৮টি জগন্নাথপুরে দলিল লেখক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপারের মুক্তাগাছা থানা পরিদর্শন শাল্লায় ওসি মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় হারানো মোবাইল উদ্ধার বিশ্ববিদ্যালয় যেন আগের জায়গায় ফিরে না যায় –ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জগন্নাথপুরে পুলিশের অভিযানে চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার : চোরাইকৃত ৩টি টমটম উদ্ধার

আজ ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২২

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ২১১ দেখা হয়েছে

সুবর্ণজয়ন্তীর অঙ্গীকার ডিজিটাল গ্রন্থাগার

আবুল কাশেম আকমল:
‘বই পড়ি, স্বদেশ গড়ি’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ পালন করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ৫ ফেব্রুয়ারি তারিখকে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ঘোষণা এবং দিবসটি পালনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘খ’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্তের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এজন্য ৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস হিসেবে মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয়। দেশের জনগণের পাঠাভ্যাস সৃষ্টি এবং বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে, দেশব্যাপী এ দিবসটি প্রতিবছর ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। তাছাড়া গ্রন্থাগার পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের উদ্দীপ্ত করতে এ দিবসটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে। গ্রন্থাগার পেশাজীবী, প্রকাশক ও পাঠকদের দীর্ঘদিনের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ৫ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বর্তমান সরকার। এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে লাইব্রেরির প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রেও লাইব্রেরির গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আলাদা দিবস লাইব্রেরি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য ইতিবাচক হতে পারে। ইতোমধ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তাদের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিগুলো আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। গত বছরের ৩০ অক্টোবর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাই প্রতি বছর ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালন করা হবে।‘

দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত হয় ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সকাল ৯টায় গ্রন্থাগার দিবসের শোভাযাত্রায় ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বিকাল ৪টায় আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, মূল আলোচক ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ তাঁর বাণীতে বলেন, গ্রন্থাগার হলো সভ্যতার দর্পণ। মানবজাতির শিক্ষা, রুচিবোধ ও সংস্কৃতির কালানুক্রমিক পরিবর্তনের সাথে গ্রন্থাগারের নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে। সে কারণে গ্রন্থাগার হচ্ছে অতীত ও বর্তমান শিক্ষা সংস্কৃতির সেতুবন্ধন। এ সময়ে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদযাপন গ্রন্থাগার ব্যবহারে দেশের মানুষকে আরো উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমার বিশ্বাস। জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০১৮ এর সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাণীতে বলেন, গ্রন্থাগার হল জ্ঞানের ভাণ্ডার। জ্ঞানার্জন, গবেষণা, চেতনা ও মূল্যবোধের বিকাশ, সংস্কৃতিচর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে মানুষকে আলোকিত করে তোলা এবং পাঠাভ্যাস নিশ্চিতকরণে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পর পরই যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি একটি জ্ঞানমনস্ক জাতি ও সমাজ গঠনে কাজ শুরু করেছিলেন। বাঙালির ইতিহাস ঐতিহ্য ও সাহিত্য সংস্কৃতির মূল্যবান উপাদান সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে তিনি আরকাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। গ্রন্থাগারের সুষ্ঠু ব্যবহার, উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ উপলক্ষে ৫ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় জাতীয় জাদুঘর প্রধান মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন (রিমি) এমপি। সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খানের সভাপতিত্বে মূল আলোচক ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশীষ কুমার সরকার।

সারা দেশে যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করার জন্য ল্যাবের সভাপতি সৈয়দ আলী আকবর, মহাসচিব ড.আনোয়ারুল ইসলাম, বেলিডের চেয়ারম্যান ড.মুস্তাফিজুর রহমান, মন্ত্রণালয় গ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি আবু হান্নান মিয়া ও বিদ্যালয় গ্রন্থাগার সমিতির আহ্বায়ক এ এফ এম কামরুল হাছান, গণগ্রন্থাগার, মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় কর্মরত গ্রন্থাগার পেশাজীবীদের নিজ নিজ কর্মরত এলাকায় অনুষ্ঠিত রালি ও আলোচনায় অংশগ্রহন করে দিবসটি সার্থক ও সাফল্য মন্ডিত করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

‘গ্রন্থাগারে বই পড়ি, আলোকিত মানুষ গড়ি’র প্রত্যয়ে পালিত হলো জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ দ্বিতীয়বারের মতো পালন করা হয় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস। এ উপলক্ষ্যে সকাল ৯টায় শাহবাগে এক র্যালি উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবু। র্যালিটি শাহবাগ কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সামনে থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ঘুরে এসে গণগন্থাগার অধিদপ্তরের সামনে এসে শেষ হয়। র্যালিতে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ইস্ট-ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সংগঠন। বিকেলে গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের শওকত ওসমান মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও সাস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শেষ হয় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসের কর্মসূচি।

‘পড়ব বই, গড়ব দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গত ৫ ফেব্রুয়ারি তৃতীয়বারের মত পালিত হলো জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২০। দিবসটি সামনে রেখে সকাল ৯ টায় শাহবাগে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুল মান্নান ইলিয়াসের সভাপতিত্বে দিবসটি উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। অনুষ্ঠানের মূল আলোচক ছিলেন অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারিক এবং গ্রন্থাগার বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করে গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর। জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন এবং গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয় ও জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার সমূহের আয়োজনে সকল জেলায় র্যালি, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, রচনা, বইপাঠ ইত্যাদি অনুষ্ঠিত হয়।

গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জেলা, উপজেলা পর্যায়ে এখন মোট গণগ্রন্থাগারের সংখ্যা ৭১টি। সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের বইয়ের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৯ হাজার। ৫৮ জেলায় মোট বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১৭ লাখ ৩৭ হাজার। সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারে প্রতিদিন ৩ হাজার ৩৬০ জন পাঠক আসেন। অন্যদিকে জেলা পাঠাগারগুলো দৈনিক ব্যবহার করছেন প্রায় ২ লাখ ৭৬ হাজার পাঠক। দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি গ্রন্থাগার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান গ্রন্থাগার, এনজিও পরিচালিত গ্রন্থাগার ইত্যাদির মধ্যে একটি কার্যকর এবং ফলদায়ক সমন্বয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরূপ সমন্বয়ের ফলে বাংলাদেশের গ্রন্থাগার সেবার মান ও কার্যকারিতা দু-ই আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখতে হলে গ্রন্থাগারগুলোকে টিকিয়ে রাখতে হবে। গ্রন্থাগার হচ্ছে সভ্যতার বাহন। দিবসটি ঘিরে সারা দেশের গ্রন্থ ও গ্রন্থাগার অঙ্গনগুলো নানামুখী কর্মকাণ্ডে মুখর থাকে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে রাজধানী ঢাকাসহ সব জেলায় সকালে শোভাযাত্রা ও বিকেলে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, পাঠচক্র, সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ঘোষণার মাধ্যমে সরকারি–বেসরকারি সব পর্যায়ের গ্রন্থাগার–সংক্রান্ত কার্যাবলি আরও বেগবান হচ্ছে। গ্রন্থাগারগুলোতে পাঠকের বয়স অনুযায়ী বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করা, চিত্তবিনোদেনর ব্যবস্থা করা ও বই পড়ার প্রতি মানুষের আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য পাঠক ফোরাম, বই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী দিনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় গণগ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ সমগ্র দেশে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করবে। গ্রন্থাগারের উন্নয়নে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে গণগগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের চারটি প্রকল্প চলমান রয়েছে। ২০২১ সাল নাগাদ এগুলোর কাজ শেষ হবে। এ ছাড়া গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের তিনটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন গ্রন্থাগারবান্ধব সরকার দেশের জনগণকে আরও জ্ঞানমনস্ক করতে গ্রন্থাগারগুলোর সক্ষমতা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি করে চলেছেন। এ লক্ষ্যে গৃহীত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছয় জেলায় লাইব্রেরি ভবন তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণ, অনলাইনে গণগ্রন্থাগারগুলোর ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন, দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি পরিচালনা, ব্রিটিশ কাউন্সিলের লাইব্রেরিজ আনলিমিটেড শীর্ষক অনুমোদিত প্রকল্পের বাস্তবায়ন পুর্ণোদ্যমে এগিয়ে চলেছে।

‘মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, ঘরে ঘরে গ্রন্থাগার’ চতুর্থবারের মত ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারঘোষিত মুজিব বর্ষে দিবসটির তাৎপর্য আরও বেড়ে যায়। বঙ্গবন্ধু আমাদের মধ্যে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ, তাঁর দর্শন, চিন্তাচেতনা, উদ্যোগ—সবই লিপিবদ্ধ আছে বইয়ের পাতায়। সেখান থেকেই নতুন প্রজন্ম জানতে পারছে সবকিছু। যে জাতি তার ইতিহাস জানে না, তারা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে না। তাই সামনে এগোতে প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে, আর ইতিহাসের সেই গল্প লেখা আছে বইয়ে, আর সেই বই সংরক্ষিত আছে গ্রন্থাগারে। সুতরাং জাতীয় গ্রন্থাগার দিবসে গ্রন্থ, গ্রন্থাগার এবং গ্রন্থাগারিকতা শব্দগুলো একই সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে গুরুত্বের নিয়ে। আমরা জানি, যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত। তাই জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উদ্যাপনের মাধ্যমে, আমরা সুন্দর আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারব।

এবারের প্রতিপাদ্য ‘ সুবর্ণজয়ন্তীর অঙ্গীকার, ডিজিটাল গ্রন্থাগার’। পঞ্চমবারের মত আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হোক জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২২

লেখক: সভাপতি, রানীগঞ্জ শহীদ গাজী পাঠাগার, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর দেখুন
All rights reserved ©2023 jagannathpurerdak
Design and developed By: Syl Service BD