1. jagannathpurdak@gmail.com : admin :
  2. lal.sjp45@gmail.com : Lal Sjp : Lal Sjp
  3. sharuarpress@gmail.com : Mdg sharuar : Mdg sharuar
  4. ronypress7@gmail.com : Rony Miah : Rony Miah
বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শাল্লায় পারিবারিক ও সামাজিক সহিংসতা, মাদক-জুয়া প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত রানীগঞ্জ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের শুভ উদ্বোধন জগন্নাথপুরে শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়ায় ১ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জে অস্ত্র মামলায় এক ব্যাক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিরাই থানা পুলিশের অভিযানে ৮ আসামি গ্রেফতার জগন্নাথপুরে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টে এর পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন জগন্নাথপুর ইয়াং স্টারের প্রতিষ্ঠাতাকে সংবর্ধনা, নতুন দায়িত্বে: জয়নুর-জুয়েল জগন্নাথপুরে বৃত্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে সম্মাননা স্মারক, সনদপত্র প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন এসএমপি’র শ্রেষ্ঠ ওসি হারুন সুনামগঞ্জে অভিনব কায়দায় গাঁজা পাচার, র‌্যাবের অভিযানে ২জন আটক

ইভিএম ফল উল্টে দেওয়ার মেশিন- চুন্নু

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৮৬ দেখা হয়েছে

 

ডেস্ক রিপোর্ট :

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির অবস্থান ঠিক আগের মতই আছে।
তারপরও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ধরে রাখতে আমরা গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেব।
তবে আগামী সংসদ নির্বাচনে পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবে জাপা।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন কথা বলেন।

৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তিনি সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থীর ওপর হামলা, এই ঘটনায় মামলা না নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘যদিও আমরা ইভিএমে নির্বাচনের পক্ষে নয়। এটা ফলাফল উল্টে দেওয়ার মেশিন। গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচনটা ইভিএমেই হবে। আমাদের পার্টির কালচার হলো নির্বাচন বর্জন না করা। আমরা মনে করি, নির্বাচন বর্জন গণতন্ত্রকে ব্যাহত করে। তাই প্রতিবাদ হিসাবে সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছি। সেই নির্বাচনের বিষয় নিয়ে কথা বলতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে এসেছিলাম।’

ইভিএমের ভোটে সিসিটিভি থাকবে কি না- সে বিষয়ে জানতে চেয়েছি, উল্লে­খ করে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমরা অংশগ্রহণ করছি দলীয় সিদ্ধান্তে । যদিও আমরা নীতিগতভাবে ইভিএমের নির্বাচনের বিরুদ্ধে। তারপরও যদি এই নির্বাচনটা ফেয়ার করতে পারে কমিশন । তাহলে মানুষের কিছুটা আস্থা আসতে পারে। নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য করতে কী কী পদক্ষেপ নেবেন, সে বিষয়েও আমরা তাদের বলেছি।’

সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার মৃত্যুতে ২৪ জুলাই গাইবান্ধা ৫ সংসদীয় আসন শূন্য হয় ৷ ১২ অক্টোবর এ আসনে উপ-নির্বাচন হবে।

জেলা পরিষদ ভোটের প্রসঙ্গ টেনে চুন্নু বলেন, ‘গাইবান্ধা জেলা পরিষদ নির্বাচনে অনেক এমপি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তাদের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার করছেন। আওয়ামী লীগের লোকজন আমাদের প্রার্থীদের গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এগুলো নিরসন করার জন্য এবং জেলা পরিষদ ভোটে সব কেন্দ্রে সিসিটিভির ব্যবস্থা করার কথা বলেছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রার্থীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। জোর করে ভোট নিয়ে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। যারা এজেন্ট হবে তাদের এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা (ইসি) বলেছেন ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে, সৎ থেকে ভালো নির্বাচন দেওয়ার মানসিকতা তাদের আছে। সেই ইচ্ছার প্রতিফলনটা জেলা পরিষদ নির্বাচন এবং গাইবান্ধা ভোটে দেখতে চাই।’

১৭ অক্টোবর ৬১টি জেলা পরিষদের ভোটগ্রহণ হবে। এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন, সংরক্ষিত পদে ১৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৬৮ জন এবং তিন পদে সব মিলিয়ে ১১৪ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সরাসরি নজরদারি দেখছি না।
আমাদের প্রার্থীকে অপমান ও তার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।এ নিয়ে থানা মামলা নেয়নি। সেখানে জিডি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন থেকে সরাসরি হস্তক্ষেপ আমরা দেখছি না।’

চুন্নু বলেন, ‘সিইসি বলেছেন, আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে খুবই অনড় ও শক্ত অবস্থানে তারা। এখন পর্যন্ত সংসদের উপনির্বাচনে সিসিটিভি ব্যবহার করার কথা রয়েছে তবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সিসিটিভি ব্যবহারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আগামী কমিশন সভায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে সিসিটিভির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

সিইসিকে ভালো মানুষ উলে­খ করে চুন্নু বলেন, ‘তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। কয়েকদিনের মধ্যে ওনারা কী করেন সেটা দেখব।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো নির্বাচন শতভাগ ফেয়ার হয়েছে বলে কেউ বলতে পারবে না। যখন যে দল নির্বাচনে জিতে, তখন তারা বলে নির্বাচন ফেয়ার হয়েছে এবং বাকিরা বলে নির্বাচন ফেয়ার হয়নি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রমাণ করেছে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও নির্বাচন ফেয়ার হয় না।
জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে আমরা বলছি, বর্তমান সিস্টেমে নির্বাচন ফেয়ার করা সম্ভব না। একমাত্র নির্বাচন সিস্টেম যদি পরিবর্তন করা হয়, যদি আনুপাতিক হারে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলেই শতভাগ ফেয়ার নির্বাচন করা সম্ভব। তবে আমরা চাই বেশির ভাগ নির্বাচন ফেয়ার হোক।’

জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখী দল উল্লে­খ করে জাপা মহাসচিব বলেন, ‘এই পর্যন্ত যত নির্বাচন হয়েছে আমরা সব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমরা বিশ্বাস করি, নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থায় আপত্তি থাকা সত্ত্বেও আমরা অংশগ্রহণ করছি। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিকে প্রতিষ্ঠিত করতেই আমরা এটা করি।’

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর দেখুন
All rights reserved ©2023 jagannathpurerdak
Design and developed By: Syl Service BD