জহিরুল ইসলাম লাল ::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে উদ্বোধন করা হলো জেলার বহু প্রত্যাশিত রাণীগঞ্জ কুশিয়ারা সেতু। ফলে সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকার দুরত্ব কমে আসলো প্রায় ৫২ কিঃ মিঃ।
সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে জগন্নাথপুরে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয় ।
এ অনুষ্ঠানকে ঘিরে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন বেশ তৎপর ছিল।
সোমবার (৭ নভেম্বর) সকাল থেকেই রাণীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্থরের নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসী মিছিল সহকারে একে-একে সভাস্থলে আসেন।
এ সময় পুরো এলাকায় উৎসব মূখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সকাল সাড়ে ১০ ভার্চোয়ালে যোগ দিয়ে
প্রধান অতিথি হিসাবে সেতুর শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, তারা দূর্ণীতি লুটপাট ছাড়া জনগনকে আর কিছুই উপহার দিতে পারেনি।
উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন একটি আধুনিক ও ডিজিটাল দেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।
সেতুগুলো নির্মানে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরো তরান্বিত হবে।
একসাথে একশত সেতু উদ্বোধন সত্যিই দুষ্কর ছিল, কিন্তু আওয়ামী সরকারের দুরদর্শিতায় তা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ২০৪১ সালে একটি উন্নত দেশ গড়ার লক্ষে আওয়ামী সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর যথাযথ ব্যবহার ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ীসহ কৃষির উৎপাদন বাড়াতে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান।
তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্মিত একশটি সেতুর নাম একে-একে উল্লেখ করে এসব উন্নয়ন জনগনকে উৎসর্গ করেন।
ভার্চোয়ালী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সভাস্থল থেকে ভার্চোয়ালে সংযুক্ত হয়ে উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, সুনামগঞ্জ ১ আসনের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, সিলেট রেঞ্জের ডি আই জি মোঃ মফিজ উদ্দিন আহমদ, সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার এহসান শাহ, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজেদুল ইসলাম, জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সুনামগঞ্জ পৌর মেয়র নাদের বক্ত, জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমেদ সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও নানা শেণী-পেশার হাজারো জনতা।
Leave a Reply