স্টাফ রির্পোটার :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকানঘর ভাংচুর করে নতুন স্থাপনা নির্মানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
যে কোন সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার আশংকা করছেন এলাকাবাসী।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর পৌরসভার ইকড়ছই মৌজার আর এস ফাইনেল ৩৩৬ নং খতিয়ানের ৯৫২ নং দাগের ২০ শতক ভুমির একক মালিক ছিলেন হাবিবনগর গ্রামের হাজী উলফত উল্লা।
তিনি মারা গেলে ওয়ারিশানদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধ দেখা দেয়।
এক পর্যায়ে উলফত উল্লার বড় ছেলে দিলোয়ার হোসেন লন্ডন থেকে দেশে আসেন এবং তার প্রাপ্ত ভুমির অংশ বুঝিয়ে দিতে ছোট ভাই দিলদার হোসেন ও মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে সালিস বৈঠকের আয়োজন করেন।
বৈঠকে বিষয়টির নিষ্পত্তি না
হওয়ায় আদালতের আশ্রয় নেন দিলোয়ার হোসেন ।
তিনি তার অংশ চিন্হিত করতে সুনামগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ ২য় আদালতে স্বত্ব বাটোয়ারা মোকদ্দমা নং ৫২/১৯ ইং দায়ের করেন। দীর্ঘদিন ধরে আদালতে মামলা চললেও বিবাদীপক্ষ আদালতে কোন জবাব দাখিল না করে উক্ত বিরোধীয় ভুমি বার বার অন্যত্র বিক্রি করছেন।
এক পর্যায়ে আদালত উক্ত ভুমির উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করলেও বিবাদীপক্ষ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জগন্নাথপুর-রাণীগঞ্জ মহাসড়কের সাথে থাকা অবস্থিত পাঁকাদোকানঘর ভাংচুর করে নিজেরাই সীমানা প্রাচীর তৈরি করে অন্যত্র বিক্রি করছে।
মামলার বাদী দিলোয়ার হোসেন বলেন, আমি বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছি। আমার ভাইয়েরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উক্ত ভুমি অন্যত্র বিক্রয় করে যাচ্ছে। তারা আদালতে হাজির না হয়ে জোরপূর্বক আমার পাকা দোকানঘর ভাংচুর করছে।
এতে আমার কেয়ারটেকার বাধা নিষেধ করেও কোন লাভ হচ্ছেনা বরং তাকে হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। আমি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার কামনা করছি।
Leave a Reply