স্টাফ রির্পোটার :
কুশিয়ারা নদীর উপর নির্মিত বহুল প্রত্যাশিত জেলাবাসীর স্বপ্নের রানীগঞ্জ সেতু উদ্বোধনের পূর্বের উত্তর পাশের এ্যাপ্রোচের কিছু অংশ ধসে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠে ।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্মকর্তারা তদন্ত করতে সরেজমিনে পরিদর্শনে নামেন।
বৃহস্পতিবার (১ লা ডিসেম্বর) বেলা ১টায় সরেজমিনে জগন্নাথপুর উপজেলায় অবস্থিত রানীগঞ্জ সেতু পরিদর্শনে আসেন দুদক কর্মকর্তারা। এর আগে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত ”উদ্বোধনের আগেই রানীগঞ্জে কুশিয়ারা সেতুর এ্যাপ্রোচে ধস” এমন সংবাদ প্রকাশিত হলে এরই আলোকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সিলেট জেলার টিম লিডার ও উপ-সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদার, সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম সহ একদল (দুদক) সদস্য তদন্তে নামেন।
এ সময় সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম প্রাং, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মো. ছদরুল ইসলাম, রানীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান, গোলজার মিয়া সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের কাজ ও দায়ীত্বে অবহেলার জন্য দায়ী ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকার সর্বস্থরের জনসাধারণ ।
উল্লেখ্য : সিলেট বিভাগের বৃহৎ এই সেতুটি ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়, উদ্বোধনের ঠিক আগেই সেতুটির উত্তর পাড়ের বিভিন্ন স্থানে অ্যাপ্রোচ সড়কটি ধসে যায়। কাজের সঠিক তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের কাজ করেছে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স এমএম বিল্ডার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ২০১৮ সালে কুশিয়ারা নদীর ওপর রানীগঞ্জ সেতুর নির্মাণকাজ করে।
সেতুটির এ্যাপ্রোচ সড়কের কাজটি করে তমা কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটির এ্যাপ্রোচ ধসে গেলেও ইতোমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাইনাল বিলটিও উত্তোলন করে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
Leave a Reply