স্টাফ রির্পোটার :
দেশের আলোড়ন সৃষ্টিকারী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বক্তা মাওলানা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরী জগন্নাথপুরের এক মাহফিলে নিজে কাঁদলেন, হাজার হাজার মুসলিম জনতাকে কাঁদালেন।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের জগন্নাথপুর পুরাতন জামে মসজিদের উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল মাহফিলে প্রধান অথিতির বয়ান পেশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন ৭ গোষ্ঠী মানুষ আল্লাহ পাকের আরশের নিচে ছায়া পাবেন। তারা বেহেস্তে অনন্তকাল শান্তিতে থাকবেন। প্রতিটি মুসলিম নর-নারীকে কোরআন-সুন্নাহ’র আলোকে জীবন-যাপন করতে হবে।
মহান আল্লাহ ও রাসুল (সা.) এর দেখানো পথে যদি আমরা চলতে পারি তাহলে ইহকাল ও পরকালে শান্তি পাবো।
তিনি যুব সমাজকে নামাজের তাগিদ দিয়ে বলেন, এখন বয়স যার, যুদ্ধে যাওয়ার বয়স তার। যুবকরা এবাদত করলে তাদের এবাদত আল্লাহর দরবারে আগে কবুল হয়।
তিনি মা-বাবার প্রতি সদয় আচরণ ও যত্নশীল হতে সন্তানদের প্রতি জোর তাগিদ দেন।
বয়ান শেষে হাজার হাজার জনতাকে নিয়ে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে বিশেষ মোনাজাত কালে তিনি কান্নায় পড়লে সাথে সাথে কান্নায় ভেঙে পড়েন উপস্থিত হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান।

এ সময় জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধান বক্তা হিসেবে বয়ান পেশ করেন আলেমে দ্বীন মাওলানা আবু আইয়ূব আনছারী, বয়ান পেশ করেন মাওলানা হাফিজ তারিছ আলী, মাওলানা আবদুল মালেক, মাওলানা আহমদ কবির রেফারী প্রমূখ।
সভায় পর্যায়ক্রমে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ মুরব্বি মিরজান আলী, ইউসুফ আলী, মনির উদ্দিন, হাজী নাছির উদ্দিন, মাহমদ আলী, বারিক মিয়া, পৌরসভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র শফিকুল হক শফিক, সাবেক পৌর কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন মুন্না।
Leave a Reply