স্টাফ রির্পোটার ::
সিলেটের জনৈক ব্যবসায়ী জাহিদুল ইসলামকে অজ্ঞাত মোবাইল ফোন নম্বর থেকে কল করে কথাবার্তার মাধ্যমে সু-সম্পর্ক তৈরি করে প্রতারনার ফাঁদে ফেলে সাড়ে ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সঙ্ঘবদ্ধ একটি অপরাধী চক্র। তবে জগন্নাথপুর থানা পুলিশের বিশেষ তৎপরতায় অবশেষে একে একে পুলিশের জালে আটকা পড়লো এ চক্রটি।
জানা গেছে, আটককৃত চক্রটি কম দামে ডলার বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে চেতনা নাশক ঔষধ খাইয়ে বাইরে ডলার আর ভেতরে সাদা কাগজের বান্ডেল বুঝিয়ে দিয়ে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় জাহিদুল ইসলাম নামের একজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে।
এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে একটি এজাহার দায়ের করেন।
এরই প্রেক্ষিতে অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন আসামীর বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানার মামলা নং-০৬ , তারিখ-২২/১১/২০২৩ ধারা : ৪০৬/৪২০/৩২৮/৫০৬/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
এদিকে জগন্নাথপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুভাশীষ ধর ও জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমানের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই (নিঃ) জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার এর নেতৃত্বে জগন্নাথপুর ও কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজন আসামিকে পৃথক পৃথক ভাবে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন জগন্নাথপুর থানার কেশবপুর গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া (৫০), নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ থানার ফেরীরচর গ্রামের রহিম উদ্দিনের ছেলে আবুল মিয়া (৫০),
জগন্নাথপুর থানার ইসহাকপুর গ্রামের মুহিত মিয়ার স্ত্রী ও মকতুল হোসেনের মেয়ে সমলা বেগম (৪০), বর্তমানে সাং- থানা বাজার, থানা- কোম্পানীগঞ্জ, জেলা- সিলেট, কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন থানার ডোহাজোড়া গ্রামের আনারকলি (৩০), স্বামী- বাক্কার মিয়া @ আবু বকর, পিতা- বাচ্চু মিয়া, বর্তমানে টুকেরবাজার, থানা- কোম্পানীগঞ্জ, জেলা- সিলেট, জগন্নাথপুর থানার ইসহাকপুর গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের স্ত্রী ও মৃত লাল মিয়ার মেয়ে নেছাফুল বেগম (৬০), বর্তমানে হবিবনগর, থানা- জগন্নাথপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ।
গ্রেফতারকৃতদের নিকট থেকে এ সময় নগদ অর্থ সহ বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
Leave a Reply