স্টাফ রির্পোটার ::
জাতীয় কবিতা মঞ্চ ও ইরান কালচারাল সেন্টারের যৌথ উদ্দ্যোগে আয়োজিত কবি সম্মাননা স্মারক পেলেন খুলনার কবি মোঃ রহমত আলী
শনিবার (২৬শে অক্টোবর) দুপুর ২ টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট রমনা পার্কের বিপরীতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় কবিতা মঞ্চ ও ইরান কালচারাল সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কবি সম্মাননা স্মারকে খুলনার খালিশপুরের কবি মোঃ রহমত আলীকে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম খালিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইরানের রাষ্ট্রদূত সাইয়্যেদ রেজা মীর মোহাম্মদী । জাতীয় কবিতা মঞ্চ সভাপতি কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী।
এছাড়াও দেশের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি, কবি সাহিত্যিক, বৃন্দের উপস্থিতিতে খুলনা থেকে অংশ গ্রহণকারী কবি রহমত আলী সম্মাননা সনদ অর্জনে খুলনার সুনাম অর্জন হয়েছে বলে মনে করেন খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক গীতি কবি চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস।
তাই কবিকে ফোনে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি রহমত আলী সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ভাবে জীবনী তুলে ধরেন।তার বাড়ি খুলনার খালিশপুর নতুন কলোনি হাউজিং এস্টেটে। তার পিতা মৃত তৈয়ব আলী, মাতা জমিলা বেগম এর ঘরে তিনি ১৯৮১ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
চার ভাই বোনের মধ্যে মোঃ রহমত আলী বড় তিনি স্কুল জীবন থেকে লেখালেখি শুরু করেন।
২০২০ সালে সারা দেশে মহামারি শুরু হলে গৃহবন্দী হয়ে পড়ে সবাই ।
সেই সময়টায় অনলাইনে বেশ কিছু প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়, আর কবি রহমত আলী ঘরে বসে লেখালেখির চর্চাটা জোরালো ভাবে শুরু করেন।
২০২৩ সাল থেকে বিভিন্ন পত্রিকায় কবিতা প্রকাশিত হয়েছে, অনলাইনে প্রকাশিত জাতীয় কবিতা মঞ্চ ও ইরান কালচারাল সেন্টারের যৌথ উদ্দ্যোগে আয়োজন করেন।
নিউজটি দেখে ফিলিস্তিনির উপরে ২টি কবিতা পাঠিয়েছেন বিচারক মন্ডলীরা। তার কবিতার মূল্যায়ন করে তাকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
এই পাওয়াটা রহমত আলীর একার হলেও সন্মানটা খুলনা বাসীর ।
তাই খুলনা বাসি সবাই কবি’র জন্য শুভ কামনা করা উচিত। তার লেখা যেন এমন করে ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশজুড়ে এমনটাই প্রত্যাশা কামনা করেন অতিথিরা।
Leave a Reply