1. : admin :
  2. sdfadas@email.em : :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশ ও দিনব্যাপী নানা বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে আনাছ আলী নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার জগন্নাথপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার দাশ আর নেই : প্রেস ক্লাবের শোক আবহাওয়ার পূর্বাভাস, যে দুঃসংবাদ দিলো “বিডব্লিউওটি” জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটি গঠন : লাল আহবায়ক, রিয়াজ সদস্য সচিব নির্বাচিত হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা স্বচ্ছতার সঙ্গে তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লন্ডনে গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদের অভিষেক ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান জগন্নাথপুরে মাদ্রাসা শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীকে অশ্লীলতার চেষ্টা, গণধোলাইয়ে শিক্ষক হাসপাতালে সিলেটে চাঁদনি ঘাটের সৌন্দর্যবর্ধন ও বন্যা প্রতিরোধী নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধনে তারেক রহমান রাজধানীসহ সারাদেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ

জগন্নাথপুরে আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৪৫ দেখা হয়েছে

স্টাফ রির্পোটার : :

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি রফিক আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ভূমি দাতা সদস্য রোকসানা চৌধুরীর পক্ষে গত ২০ নভেম্বর মোঃ রুবেল মিয়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) সুনামগঞ্জ, জেলা শিক্ষা অফিসার ও জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মোঃ রুবেল মিয়া সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্যও ছিলেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, আব্দুল খালিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি রফিক আহমদ আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনকে অমান্য করে অর্থের বিনিময়ে প্রধান শিক্ষক পদে জাকির হোসেনকে বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেন।
অথচ বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ২০ আগষ্ট দেশের সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতির দায়িত্ব অর্পন করা হয়।
তিনি স্বপদে বহাল থেকে নিয়মভর্হিভূত ভাবে কিভাবে গত ১ লা সেপ্টেম্বর অন্য স্কুলের একজন শিক্ষককে এনে নিয়োগ দেন তা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
এর আগে তিনি সভাপতি থাকাকালে ২০২২ সালের ১ লা জানুয়ারি রেজুলেশন বহি পরিবর্তন করে অবৈধভাবে সেলিম রেজা নামের এক শিক্ষককে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে বেশ বিতর্কের জন্ম দেন।
এ নিয়ে কমিটির মোঃ রুবেল মিয়া ও মোঃ নুরে আলমের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে সত্যতা প্রকাশ পেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার আগেই শিক্ষক সেলিম রেজা কর্মস্থল থেকে অন্যত্র চলে যান।
বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি রফিক আহমদের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে তিনি শিক্ষক সাঈদুর রহমান, কাজী গুলজার হোসেন, সুধীর চক্রবর্তী, সুমা সরকার, লাভলী বেগম, এবং বিদ্যালয়ের আয়া মিতা রানী দাস ও সঞ্চিতা নাথকে চাকুরীচ্যুত করেন।
সর্বশেষ বিধি মোতাবেক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ দাসকে ছুটি দেখিয়ে অব্যাহতি প্রদানে বাধ্য করা হয়। গনহারে চাকুরীচ্যুত করার প্রতিবাদে ও শিক্ষার্থীদের নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার কারণে সাবেক প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা ও তৎকালীন সভাপতি রফিক আহমদের বিরুদ্ধে স্থানীয় পৌর পয়েন্টে মানববন্ধন করেছিল শিক্ষার্থীরা।
অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০২২ সালে বিদ্যালয়ের তহবিল থেকে ব্যাক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এহসান মিলের নামে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন সভাপতি রফিক আহমদ। এছাড়াও রেজি ফি’ ফরম ফিলাপ এর অতিরিক্ত টাকা আদায় করে পকেট ভারি করতেন তিনি। অত্র বিদ্যালয়ের সুফিয়ান সাই সাদী নামক একজন সহকারী শিক্ষক চাকুরী ছেড়ে চলে গেলেও তার নামে বেতন উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।
বিধি মোতাবেক তিনি সভাপতি না থাকলেও বিদ্যালয়ের সভাপতির চেয়ার দখন করে আছেন রফিক আহমদ।
তিনি প্রতিদিন বিদ্যালয়ে এসে বিভিন্ন অজুহাতে আলোচনা সভার নামে কাল-ক্ষেপণ করছেন যা শিক্ষার কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বরকত উল্লা বলেন, এ কর্মস্থলে আমি সদ্য যোগদান করেছি। এ বিষয়টি আমার জানা নেই তবে অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে রফিক আহমদ বলেন, প্রধান শিক্ষককে মৌখিকভাবে এর আগে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। নোটিশ পেলে আমি কর্তৃপক্ষকে জবাব দেবো তবে এ বিষয়টি নিয়ে তাদের এতো মাথা ব্যাথা কেন?
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, এটা নন এমপিও প্রতিষ্ঠান।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা রফিক আহমদ তিনি আমাকে এনেছেন, তিনিই বিষয়টি বুঝবেন।
ভূমি দাতা সদস্য রোকসানা চৌধুরী বলেন, আমার শশুরের নামে বিদ্যালয় নাম করণ করেন আমার প্রয়াত স্বামী শফিকুল আহমদ।
তিনি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর রফিকুল আহমদ বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক ও কর্মচারীকে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছেন।
সভাপতি না হয়েও তিনি কোন ক্ষমতাবলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন তা আমার বোধগম্য নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর দেখুন
All rights reserved ©2023 jagannathpurerdak
Design and developed By: Syl Service BD