ডেস্ক রিপোর্ট ::
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নয় মাস পর এবার হটাৎ দেশ ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
তিনি বুধবার রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে থাইল্যান্ড গেছেন বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।
ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আবদুল হামিদ চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড গেছেন। তার দেশত্যাগে কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না। সেকারণেই তাকে দেশ ত্যাগে বাধা দেওয়া হয়নি।
আওয়ামীলীগ আমলের সাবেক এ রাস্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে ছিলেন তার এক ছেলে রিয়াদ আহমেদ এবং শ্যালক ডা. নওশাদ খান।
সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি চিকিৎসকের পরামর্শেই চিকিৎসার জন্য বিদেশে গেছেন।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একটানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এডভোকেট আবদুল হামিদ।
জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ও স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর আবদুল হামিদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ২০১৩ সালের ২৪শে এপ্রিল।
তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পান ২০১৮ সালের ৭ই ফেব্রুয়ারি।
তার দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হলে বঙ্গভবন ছেড়ে তিনি ঢাকায় নিকুঞ্জের বাসায় বসবাস করছিলেন।
আবদুল হামিদের পরে ২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল রাষ্ট্রপতি হন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা ও গুলি বর্ষনের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২৪ জনের বিরুদ্ধে গেল ১৪ জানুয়ারি এ মামলাটি দায়ের করা হয় কিশোরগঞ্জে।
এদিকে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এছাড়া মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জের সদর থানায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং এসবির একজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানানো হয়।
Leave a Reply