স্টাফ রির্পোটার ::
লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে পথ হারিয়ে খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে পড়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ তরুনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ৫ জন চিহ্নিত মানব পাচার কারীর বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় পাচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জগন্নাথপুর উপজেলার ৯ নং পাইলগাঁও ইউনিয়নের পাইলগাঁও গ্রামের নিহত আমিনুর রহমানের পিতা হাবিবুর রহমান বাদি হয়ে ৫ জন দালালের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন, জেলার ছাতক উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের মদরিছ মিয়ার ছেলে দুলাল মিয়া, জগন্নাথপুর উপজেলার ইছগাঁও গ্রামের মৃত মন্তাজ মিয়ার ছেলে আজিজুল ইসলাম, একই উপজেলার চিহ্নিত মানবপাচারকারী এনাম মিয়া, বিলাল মিয়া ও জসিম মিয়া।
শনিবার (২৮ মার্চ) লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়।
নিহতদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার মোট ১২ জন রয়েছেন।
এর মধ্যে জগন্নাথপুর উপজেলার ৫ জন, দিরাই উপজেলার ৬ জন ও দোয়ারাবাজার উপজেলার ১ জন।
সূত্র জানায়, জন প্রতি প্রায় ১২ লাখ টাকা করে চুক্তি করে, লিবিয়া হয়ে গ্রিস নেওয়ার কথা ছিল দালালদের।
চুক্তি অনুযায়ী নিরাপদ ও বড় নৌযান দিয়ে নেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অধিক লাভের আশায় তাদেরকে ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানে তুলে নেয়া হয়।
তাছাড়া চালকের সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে ভূমধ্যসাগরে পথ হারিয়ে খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সংকটে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যুর মুখে পতিত হয় তরুণরা।
Leave a Reply