বিশেষ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় এক যুবকের করোনা হয়েছে কিনা সেটা নিয়ে দ্ধিধা-দন্ড দেখা দিয়েছে। করোনা নেগেটিভ না পজেটিভ এ নিয়ে সারা দিন আলোচনা হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সঠিক রির্পোট পেতে অপেক্ষা করা জন্য বলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
জানা যায়, দেশে করোনা সংক্রামন দেখা দেওয়ার পর উপজেলার মধ্যে সব থেকে বেশি সংক্রামন হয় পৌরসভার বাসিন্দারা। অবাধে চলাচল স্বাস্থ্য বিধি না মানায় বেশী সংক্রামন হয়েছেন বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। গত কয়েক দিন ধরে আবহাওয়া পরিবর্তন দেখা দেওয়ায় জ¦র সহ নানান সমস্যা দেখা দেয় উপজেলার মানুষের মধ্যে গত শুক্রবারে উপজেলার পৌর সদরের হবিবপুর গ্রামের এক যুবকের শরিরে জ¦র দেখা দেয়। শরিরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভর্তি করার পর যুবকের শরির থেকে করোনা টেষ্ট নেওয়া হয়। রবিবার ( ২০ সেপ্টেম্বর) সিলেট শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাব থেকে প্রকাশিত কোভিড ১৯ পরীক্ষার রিপোর্টে তার নেগেটিভ আসে। এর পর যুবকের মোবাইলে পজেটিভ রির্পোট আসে এ নিয়ে শুরু হয় দ্বিধা-দন্ড সারা দিন চলে আলোচনা।
এ নিয়ে গণমাধ্যমকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্ষিয়া ব্যক্ত করে ভর্তি হওয়া যুবক বলেন, গত শুক্রবারে আমার শরিরের জ¦র দেখা দেওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শরিরে জ¦র থাকায় করোনা টেষ্ট নেওয়া হয়। আজ সিলেট শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাব থেকে প্রকাশিত কোভিড ১৯ পরীক্ষায় আমার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। আবার আমার কাছে ১১ টা ২৫ মিনিটে মোবাইলে ম্যাসেজ আসে আমার করোনা পজেটিভ। ম্যাসেজ আসার সাথে সাথে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বে থাকা ডাক্তার সাবদের দেখাই। ম্যাসেজ দেখার পর ডাক্তাররা কোনটি সঠিক সিন্ধান্ত দিতে পারছেন না।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মধু সুধন ধর জানান, করোনা টেষ্টে কোন এক জায়গায় সমস্যা হয়েছে। আমরা সিলেট শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাবে জানিয়ে দিয়েছি। তারা চেক করে রির্পোট দিবে। ভর্তি হওয়া যুবককে হোম আইসোলেশনে থাকার নিদের্শ দিয়েছি।
Leave a Reply