স্টাফ রির্পোটার :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে শান্তিপূর্ন পরিবেশে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।
দুষ্টের বিনাশ ও সৃষ্টের পালন করতে বছর ঘুরে আবারো দুর্গতিনাশিনী দশভুজা ‘দুর্গা’ আসছেন।
আর দুর্গার এই আগমনকে ঘিরে মন্দিরে মন্দিরে শুরু হয়েছে দুর্গাপূজার আমেজ।
বাঁশের কাঠামোর ওপর বিচালি দিয়ে তৈরি করা অবয়বকে মাটি দিয়ে পূর্ণতা দেয়া হয়েছে। মৃৎশিল্পীর নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ রূপ নিয়েছে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, সিংহ সহ মহিষাসুরবধের কাহিনী।
শুক্রবার ষষ্ঠী তিথিতে বিল্ব বৃক্ষ বা বেল গাছের পূজার মাধ্যমে আবাহন করা হয়েছে দেবী দুর্গাকে। সেই বৃক্ষের শাখা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দেবীর ঘটে।
ঢাকঢোল আর কাঁসর বাদ্যে দেবীর বোধন পূজার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা।
জগন্নাথপুরে এ বছর ৪২টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি ব্যক্তিগত ও ৩৭টি সার্বজনীন। এসব পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করেছে স্ব স্ব কমিটি।
জগন্নাথপুর পৌরসভায় ৬টি, কলকলিয়া ইউনিয়নে ৬টি, পাটলি ইউনিয়নে ২টি, মীরপুর ইউনিয়নে ৬টি, চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে ৩টি, রানীগঞ্জ ইউনিয়নে ৭টি, সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নে ১টি, আশারকান্দি ইউনিয়নে ৫টি, পাইলগাঁও ইউনিয়নে ৬টিতে দুর্গাপূজা হচ্ছে বলে জানা গেছে ।
জগন্নাথপুর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সতীশ গোস্বামী জানান, এবছর জগন্নাথপুরে ৪২টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করেছি। এর মধ্যে ৫টি ব্যক্তিগত ও ৩৭টি সার্বজনীন। এসব মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে আমাদের বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে।
আমাদের পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।
২৪শে অক্টোবর দশমী তিথি শেষে দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে দেবীকে বিদায় জানানো হবে।
Leave a Reply