স্টাফ রির্পোটার ::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে সরকারী কবরস্থান রকম ভূমি থেকে গাছ ও ডালপালা কর্তনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গ্রামবাসীর পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ নং রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের নারিকেলতলা গ্রামের মৃত আব্দুর রহিমের ছেলে ও নিষিদ্ধ ঘোষিত স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা আশরাফুল রহমান গত (১০ আগষ্ট) সকাল ১০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন লোককে সাথে নিয়ে তৈলক্ষন তন্নাথপুর মৌজার ১নং খতিয়ানের আর এস ফাইনেল ১২৫ নং দাগের ভূমিতে ডালপালা কাটতে যান।
এ সময় উপস্থিত লোকজন ডালপালা কর্তনে বাধা নিষেধ করলে উক্ত বাধাকে তিনি উপেক্ষা করে দিন দুপুরে অনুমান ১০/১২ টা বিভিন্ন জাতের গাছের ডালপালা কর্তন করেন।
এছাড়া তিনি ইতোপূর্বে আইনের প্রতি তোয়াক্কা না করে এবং আওয়ামীলীগ এর দাপট দেখিয়ে উক্ত সরকারী ভূমি থেকে ২/৩টি হিজলগাছ কর্তন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
কবরস্থান রকম ভূমি থেকে বার বার গাছ ও ডালপালা কর্তন করায় উক্ত আশরাফুলের বিরুদ্ধে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে বিস্তারিত ঘটনা উল্লেখ করে গত ১৭ আগষ্ট গ্রামবাসীর পক্ষে মোঃ মোহন মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে মোঃ মোহন মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, আশরাফুল রহমান গ্রামের একজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এতোদিন কেউ মূখ খুলে কথা বলার সাহস পায়নি।
তিনি সরকারী কবরস্থান রকম ভূমি হইতে বার বার গাছ কর্তন করছেন।
ব্যক্তিস্বার্থে তিনি এ ধরনের অপকর্ম করতে পারেন না। আমরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
অপরদিকে আশরাফুল রহমান বলেন, কে অভিযোগ দিয়েছে? একটু নাম বলুন বা কারা আসছিল।
তবে তিনি স্বীকার করে বলেন, আমি মালিকানা জমি হইতে গাছের ডালপালা কেটেছি।
রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া বলেন, আমি শুনেছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। আমাকে দায়িত্ব দেয়া হলে তদন্তে যাবো।
এব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বরকত উল্লাহ’র সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
Leave a Reply