স্টাফ রির্পোটার ::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে’র প্রবীন সাংবাদিক ও মানবাধিকার ব্যাক্তিত্ব আলহাজ্ব কায়েস চৌধুরী (৭০) আর বেঁচে নেই।
ইন্না-লিল্লাহি- রাজিউন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৪ ছেলে ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় সিলেট নগরীর একটি বে-সরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাঁর মৃত্যুতে উপজেলার বিভিন্ন অঙ্গঁনে শোকের ছায়া নেমে আসে।
মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও দীর্ঘদিনের পথচলার সহযোদ্ধা সংবাদকর্মী সহ অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
আজ বুধবার সকাল ১১ টায় মরহুম সাংবাদিক কায়েস চৌধুরীর নামাজে জানাজা সম্পন্ন করা হয়।
নিজ নিবাস উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের জহিরপুর গ্রামস্থ শাহী ইদগাহ মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্টিত হয়।জানাজার নামাজে ইমামতি করেন হযরত মাওলানা নেয়াজ আহমদ।
নামাজে জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ সহ নানা শেণী-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে প্রবীণ সাংবাদিক মানবাধিকার ব্যাক্তিত্ব ও জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের বার বার নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং সাংবাদিক সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কায়েস চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।
এক শোকবার্তায় সংগঠনের পক্ষে ক্লাবের সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া ও সিনিয়র সহ-সভাপতি রিয়াজ রহমান গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, আলহাজ্ব কায়েস চৌধুরী ছিলেন একজন ক্রাইম সাংবাদিক ও মানবতার ফেরিওয়ালা।
সাংবাদিকতায় তাঁর ব্যাপক সুনাম রয়েছে।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি অত্যান্ত সুনামের সহিত সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত থেকে দেশ ও মানুষের কল্যানে কাজ করে গেছেন।
তিনি একজন নিবেদিত, আন্তরিক ও সাদামনের মানুষ ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে সাংবাদিক সমাজ ও এলাকার অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে যা সহজে পূরণ হবার নয়।
Leave a Reply