স্টাফ রির্পোটার :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ১নং কলকলিয়া ইউনিয়নের কান্দার গাঁও গ্রামে পেশাদার চোরের বসতবাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ কার্তুজ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এক চিন্হিত চোর আব্দুস ছামাদকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালালে অভিযুক্ত ব্যাক্তির সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উপস্থিত স্থানীয় লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলে জগন্নাথপুর থানার এস আই কবির উদ্দিন সহ একদল পুলিশ অভিযুক্তের বসতঘরে তল্লাশি চালায়।
এসময় গুলি, দুইটি কার্তুজসহ বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে বলে ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়।
হামলার ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের আঘাতে কয়েকজন স্থানীয় ব্যাক্তি আহত হয়েছেন বলেও জানা যায়।
বর্তমানে তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এদিকে অভিযুক্তরা পুনরায় হামলা করতে পারে এমন আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ উৎকন্ঠা বিরাজ করছে।
এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে, একই দিন ২১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ আনুমানিক দুপুর ২:৩০ ঘটিকার দিকে এলাকায় দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী হিসাবে পরিচিত নিউক্সন ও আওয়ামী ক্যাডার আঃ নুরের নেতৃত্বে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার মাধ্যমে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে এক প্রকার আতঙ্কের রাজত্ব কায়েম করছে।
এদের নেতৃত্বে বার বার আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে এলাকার নিরিহ লোকজনকে হয়রানি করে আসছে।
তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানা গেছে।
সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানান এবং জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার এস আই কবির উদ্দীন বলেন, তল্লাশি চালিয়ে ২ টি কার্তুজ সহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Leave a Reply