1. : admin :
  2. sdfadas@email.em : :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এবার ২২৬টি মাদরাসার সকল শিক্ষার্থীই ফেল জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের আহবায়ক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া’র জন্মদিন পালন জগন্নাথপুরে সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুরে সাংবাদিক ইয়াকুব মিয়ার জামিনে মুক্তি লাভ জগন্নাথপুরে কৃষি ঋণ বিতরণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ব্যাপক প্রচারণা জগন্নাথপুরে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, ফাইনাল বাইচে প্রস্তুত ৪ টি নৌকা জগন্নাথপুরে সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন জগন্নাথপুর পৌরসভার ২২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার টাকার বাজেট পেশ জগন্নাথপুরে জামায়াতে ইসলামী পেশাজীবি শাখার উদ্যোগে মৌসুমী ফলচক্র অনুষ্ঠান সম্পন্ন জগন্নাথপুরে দৃষ্টিনন্দন আর্চ ব্রীজের উদ্বোধন : জনগনের প্রত্যাশা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ- এমপি কয়ছর আহমেদ

জগন্নাথপুরে শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৮৩ দেখা হয়েছে

অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে শিক্ষা-কার্যক্রমে অচলাবস্থা

বিশেষ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলি ইউনিয়নে অবস্থিত শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ (সমাজ বিজ্ঞান) প্রভাষক আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে কলেজে অনুপস্থিতি সহ নানান অনিয়মের অভিযোগ করেন প্রভাষক সহ কলকলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।
সরজমিন গিয়ে দেখা গেছে, বিগত সরকারের সময় নির্মিত আইসিটি ভবনের কম্পিউটার রুমটি তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বাথরুম সহ ক্লাসের আশেপাশে সিগারেটের বাক্স সহ ময়লা আর্বজনার স্তুপ পড়ে রয়েছে। একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী রুহুল আমিন বলেন, ভর্তি ফি দিয়েছি কিন্তু আমাদের মানি রিসিট দেওয়া হয়নি। শিক্ষার্থী সাদিকুর রাহমান বলেন, ২০ থেকে ৩০ টি কম্পিউটার থাকা সত্ত্বেও আমরা শিক্ষার্থীরা কোনদিন ল্যাব রুম দেখারও সুযোগ পাইনি। আরেকটি রুমে ১০টি ল্যাপটপ রয়েছে যা প্রতিটি ভাঙ্গা ও অকেজো। অথচ কোন শিক্ষার্থী ল্যাপটপ ব্যবহার করেনি। এদিকে গত ৯ সেপ্টেম্বর কলকলি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিক মিয়া শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অবৈধ অধ্যক্ষ পদ থেকে অপসারণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আব্দুল মতিন বিধিবহির্ভূত ও অবৈধভাবে পূর্নাঙ্গ অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০০২ সালে কলেজ প্রতিষ্ঠাকালিন সময়ে আব্দুল মতিনকে সমাজ বিজ্ঞান প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, ২০১০ সালে কলেজটি এমপিওভুক্ত হলে আব্দুল মতিন সরকারি বেতনভুক্ত হন। বিধিমালা অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পাওয়ার সর্বনিম্ন যোগ্যতা হলো এমপিও ভুক্ত হবার পর ১২ বছরের অভিজ্ঞতা, কিন্তু আব্দুল মতিনের কোন ধরনের অভিজ্ঞতা না থাকা সত্বেও বিশেষ ধরনের গর্ভনিংবডিকে ম্যানেজ করে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেয়েছেন। অধ্যক্ষ পদে এমপিও ভুক্ত হবার আবেদন জানালে মাউশি কর্তৃপক্ষ সরাসরি আব্দুল মতিনের আবেদন বাতিল করেন।
এ ব্যাপারে কলকলি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিক মিয়া বলেন, আব্দুল মতিন হলেন সমাজ বিজ্ঞানের প্রভাষক, কিন্তু তিনি বিগত সময় থেকে অদ্যাবধি ফ্যাসিবাদী ব্যক্তিবর্গের ছত্র ছায়ায় অবৈধভাবে একই সাথে অধ্যক্ষ ও সমাজবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে দু’টি পদে দায়ীত্বপ্রাপ্ত আছেন।
শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যক্ষ এনামুল কবির বলেন, অধ্যক্ষের অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা মানববন্ধন করেছি, বর্তমানে কলেজের সভাপতি ইউএনও বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি, আমাদের অধ্যক্ষ ৯ সেপ্টেম্বর থেকে কাউকে কিছু না বলে এবং কাউকে দায়িত্ব না দিয়েই চলে গেছেন, তিনি অনুপস্থিত।
প্রভাষকরা জানান, দুদকের মামলার প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্ডারে ২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অধ্যক্ষ আব্দুল মতিনের বেতন এক বছর ধরে বন্ধ আছে।
উল্লেখ্য, কলেজ তহবিল হতে প্রভাষকদের প্রাপ্য ৫ বছরের বেসরকারি অংশ ভাতাদি এবং ৮ বছরের বকেয়া প্রভিডেন্ট ফান্ড পরিশোধের দাবিতে গত ৯ সেপ্টেম্বর বৈষম্যের শিকার কলেজের প্রভাষকরা মানববন্ধন করেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।
শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগের বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল বশিরুল ইসলাম বলেন, কলেজ শিক্ষক এবং এলাকাবাসীর পক্ষে দুটি আবেদন পেয়েছি এবং পরস্পর বিরোধী আবেদন রয়েছে, আবেদনে অনেক গুলো বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, একটি তদন্ত কমিটি করে দেবো, তদন্ত কমিটি তাদের বিস্তারিত বিষয় দেখবে, তাদের ফান্ডের বিষয়, একাউন্ট এবং ডকুমেন্টস সহ অন্যান্য বিষয় দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর দেখুন
All rights reserved ©2023 jagannathpurerdak
Design and developed By: Syl Service BD